২৮ আগস্ট, ২০২৪

সরকার পতন পরবর্তি সহিংসতা, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ভাংচুর ও আগুন, ঘরবাড়ী পুড়িয়ে ব্যবসায়ীকে মারপিট ও জখমের অভিযোগ

অনলাইন ডেস্ক

সরকার পতন পরবর্তি সহিংসতা, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ভাংচুর ও আগুন, ঘরবাড়ী পুড়িয়ে ব্যবসায়ীকে মারপিট ও জখমের অভিযোগ

16px

নোয়াখালী জেলা প্রতিনিধি: গত ০৫ ইং আগষ্ট ২০২৪ ইংরেজী সালে আকস্মিক বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হয়। সাবেক প্রধানমন্ত্রী পালিয়ে ভারতে আশ্রয় নেন। এই সুযোগে দেশ ব্যাপি অরাজকতা, রাজনৈতিক অস্থিরতা ও প্রশাসনিক অক্ষমতা তীব্র আকার ধারন করে। রাজনৈতিক প্রতিহিংসার পাশাপাশি অনেকেই ব্যক্তি দ্বন্দ ও ব্যবসায়িক প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করার সুযোগ গ্রহন করে। এরই  মাঝে ধারাবাহিকতায় গত ০৫ আগস্ট/২০২৪ এবং ৬ই আগষ্ট/২০২৪ইং সালে নোয়াখালী জেলার সোনাইমুড়ী থানার সোনাইমুড়ী বাজারে এবং ছনগাওঁ গ্রামে।

ঘটনার বিবরনে প্রকাশ নোয়াখালী জেলার সোনাইমুড়ী থানার, ছনগাঁও গ্রামের বাসিন্দা মোঃ আব্দুল মালেকের ছেলে মোহামমদ মাকসুদুর রহমান বেশ কিছুদিন পূর্বে সোনাইমুড়ী বাজারে তুলা  তৈরীর কারখানা গড়ে তুলেন। অক্লান্ত পরিশ্রম, মেধা আর যোগ্যতার  কারনে তার এই প্রতিষ্ঠান অত্যন্ত লাভজনক প্রতিষ্ঠানে ররূপান্তরিত হয়।

তার প্রতিষ্ঠানের লাভ দেখে আবুল কালাম আজাদ নামে একজন ব্যক্তি এবং আখতার হোসেন নামে অপর এক ব্যক্তি সোনাইমুড়ী বাজারে আরও দুইটি তুলা কারখানা গড়ে তুলেন। কিন্তু সঠিক পরিচালনা করতে না পারায় মোহাম্মদ মাকসুদুর রহমানের সাথে তারা পাল্লা দিয়েও লাভ করতে পারেন নাই। নতুন এই দুইজন ব্যক্তি একত্র হয়ে মোহাম্মদ মাকসুদুর রহমানের তুলার কারখানা বন্ধের জন্য নানা রকম ষড়যন্ত্র করে তারা ব্যর্থ হন। মোহামমদ মাকসুদুর রহমান মুক্তিযোদ্ধার সন্তান এবং তিনি মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ড কাউন্সিলের স্থানীয় নেতা এবং জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল জাসদ রবের সোনাইমুড়ী থানার প্রচার সম্পাদক। অন্যদিকে আবুল কালাম আজাদ জামায়াতে ইসলামীর কর্মী ও আখতার হোসেন স্থানীয়, বিএনপি নেতা। তাদের মধ্যে বিপরীতমুখী রাজনৈতিক মানসিকতা বিদ্যমান। জুলাই/২০২৪ ইং সালে বৈষম্য বিরোধী কোটা সংস্কার আন্দোলন গড়ে উঠে তখন প্রথমদিকে মোহাম্মদ মাকসুদুর রহমান কোটা আন্দোলনের বিপক্ষে অবস্থান নিয়ে তিনি স্থানীয় কিছু জনসভায় বক্তব্য দেন কিন্তু আওয়ামীলীগ সরকার ছাত্র হত্যা শুরু করলে তিনি হত্যাকান্ডের বিরোধীতা করেন। ৫ই আগস্ট/২০২৪ ইং সালে সরকার পতনের সাথে সাথে দেশে অরাজক পরিস্থিতির সুযোগে মোহাম্মাদ মাকসুদুর রহমানের ব্যবসায়িক ও রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ বিএনপি নেতা আখতার হোসেন ও জামায়াতে ইসলামীর কর্মী আবুল কালাম আজাদ মাকসুদুর রহমানের তুলার দোকানে আগুন দিয়ে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পুড়িয়ে দেন।

বিএনপি জামায়াত নেতা কর্মীরা তাকে মারপিট করে আহত করে। ০৬ই আগস্ট/২০২৪ ইং সালে তার বসত বাড়ীতে অগ্নি সংযোগ করা হলে তার ছেলে আহত হয়। তাকে ক্রমাগত হত্যার চেষ্টা করা হলে তিনি স্ত্রী সন্তান নিয়ে এলাকা ত্যাগ করেন। তার স্ত্রীকে কিছু লম্পট যুবক ধর্ষনের চেষ্টা করে। তিনি যাতে আর এলাকায় না আসতে পারেন সেজন্য বিএনপি নেতা আখতার হোসেনের ষড়যন্ত্রে তাকে মিথ্যা হত্যা ও অস্ত্র মামলার আসামী করেন বলে জানা যায়, সরেজমিন অনুসন্ধানে এবং অন্যান্য ব্যবসায়ী ও ছনগাঁও গ্রামবাসীর অধিকাংশের বক্তব্যে এই প্রতিবেদনের সত্যতা পাওয়া যায়। এই বিষয়ে সঠিক তদন্তের মাধ্যমে সত্য ঘটনা উদ্ঘাটন করে নিপীড়ত মোহাম্মদ মাকসুদুর রহমান কে সহযোগীতার জন্য মানবাধিকার সংস্থার নিরপেক্ষ হস্তক্ষেপ কামনা করছে এলকার সাধারণ জনতা।

এই বিভাগের আরও খবর

dainikamarbangla

সর্বশেষ খবর

হাইলাইটস

বিশেষ সংবাদ